আজান দেয়া মাত্রই মাগরিবের নামাজ শুরু করা উচিৎ নয়।

আজান দেয়া মাত্রই মাগরিবের নামাজ শুরু

আজান দেয়া মাত্রই কি মাগরিবের নামাজ  শুরু হওয়া উচিত।

মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হওয়া থেকে যতদূর সম্ভব কম সময়ের মধ্যেই নামাজ সম্পন্ন করা উচিৎ। তাই বলে এমন নয় যে, আজান দেয়ার পর-পরই মুয়াজ্জিন ইকামাত শুরু করে দিবে। মহানবী সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা আজান ও ইকামতের মাঝে এতটুকু সময় রাখবে যেন একজন আহার-কারী তার আহার, পানকারী তার পানকর্ম এবং একজন প্রকৃতির আহ্ববানে সাড়া দিয়ে শৌচকর্ম সমাধা করে নিতে পারে” তাহলে যারা মাগরিবের আজান দেয়া মাত্রই ইকামাত দেয়া শুরু করেন, তারা কোন আদেশ পালন করেন?  একজন মুসুল্লিকে আপনি মুয়াজ্জিন হিসাবে ডাক দিয়ে বললেন যে, “ নামাজের জন্য এই স, কল্যাণের জন্য এই স”। সে আপনার ডাকে সাথে সাথেই সাড়া দিয়ে মসজিদে এই সে দেখে যে, নামাজ দুই রাকাত শেষ হয়ে গেছে এবং তৃতীয় রাকাত চলছে। এখন আপনার কাছে প্রশ্ন: আপনার ডাক শুনে সাথে সাথে মসজিদে এই সে সে লোকটি তাকবীরে উলা বা প্রথম তাকবীর পেল না, এই জন্য কি আপনি কিছুই দায়ী হবেন না?  নামাজের জন্য কি সবাইকে দুনিয়াবি সকল কাজ-কর্ম ফেলে সব সময় মসজিদে বসে থাকতে বলা হয়েছে?  অবশ্যই আল্লহর কাছে এই বিষয়ে দায়িত্বশীলদের জবাব দিতে হবে।

কিছু প্রয়োজনীয় নামাজ পড়া কি নিষেধ?

তাছাড়া হাদিস কর্তৃক স্বীকৃত মাগরিবের নামাজের পূর্বে দুই রাকাত সুন্নত নামাজের বিধান আজও সৌদি আরব সহ মিডল ইস্টয়ের প্রায় প্রতিটি দেশেই প্রচলিত আছে; যদিও সে নামাজটির প্রচলন আমাদের দেশে নেই। মাগরিবের পূর্বে ২৩ মিনিট নামাজ পড়া মাকরূহ তাহরিমী। এমতাবস্থায় যদি কোন লোকের বিশেষ সমস্যা হেতু আসরের নামাজ না-ই পড়তে পারে, তাহলে সে ব্যক্তি নামাজের কাজা আদায় করবে কখন?  মাগরিবের নামাজ খুব কম সময়ের, এই বিধানটি প্রায় সকল আলেমই পালন করে থাকেন। তবে এই সংক্রান্ত আরও অনেক হাদিসই আছে, যেগুলোর দিকেও তাঁদের দৃষ্টি দেয়া দরকার। কিছুটা হলেও খুশির খবর যে, বর্তমানে প্রায় অনেক মসজিদেই মাগরিবের আজানের পর কিছুটা বিলম্ব করে নামাজ শুরু করা হচ্ছে। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2009/3/Maghrib-Prayer.htm

You may also like...