এংগেজমেন্ট রিং ব্যবহার করা

বাংলাদেশের বিত্তশালী এবং মধ্য বিত্ত পরিবারে বর্তমান বিধর্মীদের ছিল-ছিলায় একটা নতুন ফ্যাশন যুক্ত হয়েছে, তাহলো বিবাহের পূর্বে পাত্র পক্ষ থেকে কনেকে এংগেজমেন্ট রিং পরিয়ে অর্ধেক বধূ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া। দুর্ভাগ্য আমাদের জন্য যে, একটা অবৈধ পথ ও মতকে নিয়ে আমরা খুব বাড়া-বাড়ি শুরু করেছি। আমরা জানিই না যে, এংগেজমেন্ট রিং কি এবং কেনই বা এটা পরানো হয়।

জেনে নিন, ‘এংগেজমেন্ট রিং হল সে জিনিস যা অবিবাহিত একজন নারীকে কোন একজন নির্দিষ্ট পুরুষের সাথে স্বামী-স্ত্রী হিসাবে বসবাসের মত একসাথে থাকার পূর্ণ অধিকার প্রদান করা। যতদিন পর্যন্ত তারা কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে না পারবে, ততদিন তারা এক সাথেই থাকতে থাকবে। এরই মধ্যে যদি কোন সন্তানও জন্ম গ্রহণ করে, তাহলে তাতেও কোন আপত্তি নেই। আর সেই এংগেজমেন্ট রিং হাতে থাকা অবস্থায় অন্য কোন পুরুষ তাকে গার্ল ফ্রেন্ড হওয়ার বা যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আবেদন করবেনা। এংগেজমেন্টের পূর্বে সে নারী দশ জন পুরুষের সাথে রাত্রি যাপন করলেও আইন গত কোন সমস্যা ছিল না, কিন্তু এংগেজমেন্ট রিং পরানোর ফলে শুধু মাত্র একজনের সাথেই থাকবে-এতটুকুই পার্থক্য।

এখানে কথা থাকে যে, এই রূপ টেস্টিং মুহূর্তে যদি তাদের কোন সন্তানও জন্ম নেয়, তার পরও যদি তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে, তাদের দ্বারা বিবাহ করা সম্ভব নয়, তাহলে বিবাহ হবে না’। তাহলে আপনি কি ইচ্ছা করেই আপনার ছেলে- মেয়েকে বিবাহ পড়ানোর পরিবর্তে এংগেজমেন্ট রিং পরিয়ে একটি হারাম পদ্ধতি তথা জেনার রাস্তা খুলে দিচ্ছেন না?  এটাই যদি হয় আপনাদের অর্থের বাহাদুরির বহিঃপ্রকাশ, তাহলে আমার আর বলার কিছুই নেই। মনে রাখবেন, ’মুসলমানদের জন্য এটা এংগেজমেন্ট রিং না হয়ে জাহান্নামের রিং হওয়াটাই যুক্তি যুক্ত। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamqa.com/en/ref/20069 

http://www.islam-qa.com/en/ref/21441 

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *