কাবা শরীফের ছবি যুক্ত জায়নামাজ ব্যবহার করা

কাবা শরিফের ছবিযুক্ত জায়নামাজ

কাবা শরিফকে নিয়ে মুশরিকদের চক্রান্ত

মহান আল্লহ রব্বুল আলামীন পাক কালামে সকল মানুষের জন্য আসমানকে ছাদ এবং জমিনকে বিছানা স্বরূপ ঘোষণা করেছেন। সেক্ষেত্রে সব যায়গায়ই মুসলমানদের নামাজ পড়ার জন্য উপযুক্ত থাকলেও হাদিসে পাঁচটি যায়গায় নামাজ পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। আর সে পাঁচটির মধ্যে একটি হল কাবা শরীফের উপরে নামাজ আদায় করা। অথচ সুকৌশলে কাফের/মুশরিক-গন কাবা শরীফের ছবি দিয়ে জায়নামাজ তৈরি করে মুসলিম দেশে সরবরাহ করছে, আর মুসলমান-গন সে জায়নামাজে দাড়িয়ে তথা কাবা শরিফকে পায়ের নীচে রেখে নামাজ আদায় করে নিজের চাকচিক্য নিয়ে গর্ব প্রকাশ করছে।

প্রশ্ন হল কারো বাবা-মা’য়ের ছবি দিয়ে যদি একটা শতরঞ্জি তৈরি করা হয়, তাহলে সে কি সে শতরঞ্জির উপরে বসে খানা খাবে অথবা পা দিয়ে মাড়াবে অথবা অন্য কাউকে মাড়াতে দিবে?  কখনোই না। তাহলে কিভাবে আমরা মহান আল্লহ রব্বুল আলামীন এর পবিত্র কাবা গৃহের ছবি পায়ের নীচে রেখে নামাজ আদায় করতে পারি?  অথচ এই ব্যাপারে সরাসরি হাদিসের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও দুনিয়াবি জৌলুসের জন্য কাফের-মুশরিকদের তৈরি জায়নামাজকে দুর্বল ইমানের মুমিন-গন নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হিসাবে পছন্দ করে নিয়েছেন। মনে রাখা উচিৎ যে, মুশরিক-কাফের-গন সর্বাবস্থায় মুসলমানদের ইমান নষ্ট করার জন্য দীর্ঘ পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তাদের দেখা-দেখি আমাদের দেশেরও কিছু দুর্বল ইমানের মুসলমান-গন ব্যবসায়িক লাভের আশায় তাদের কাপড় তৈরির প্রতিষ্ঠান থেকে কাবা শরীফের ছবি দিয়ে নিম্ন মানের হলেও জায়নামাজ তৈরি করছে।

ছবি থাকলে কি করণীয়

এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখের ও পরিতাপের বিষয়। অতএব যাদের বাসায় কাবা শরীফের ছবি যুক্ত জায়নামাজ আছে, তারা রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদেশকে মানতে চাইলে জরুরী ভিত্তিতে কাবা-শরীফ যুক্ত জায়নামাজে নামাজ পড়া বন্ধ করুন, অথবা যে স্থানে কাবা শরিফের বা রওজা শরিফের ছবি আছে, সে স্থানে অন্য কাপড় দিয়ে ঢেকে বা শিলাই করে তাতে নামাজ পড়লে আর কোন অসুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সে সাথে আরও একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, মুশরিক-কাফের-গন তাদের ব্যবসা প্রসারের উদ্দেশে যদি মুসলমানদের ধর্মীয় প্রয়োজন অথবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনের লক্ষ্যে কোন সামগ্রী তৈরি করে, তাহলে প্রথমেই দেখতে হবে যে, সে সামগ্রীর মাধ্যমে ধর্মের সীমা রেখার অতিক্রম হচ্ছে কি-না। অতএব সর্বোত্তম জায়নামাজ হল সেটি, যার মধ্যে কোন প্রকার ছবি না থাকে। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://islamqa.info/en/ref/90097/pray%20in%20the%20picture

 

You may also like...

6 Responses

  1. It is in reality a great and useful piece of info. Thanks for sharing. 🙂

  2. Like says:

    Like!! Really appreciate you sharing this blog post.Really thank you! Keep writing.

  1. 22/07/2018

    […] রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মধ্য রাত্রিতে নামাজ পড়েছিলেন এবং তাঁর সাথে বেশ কিছু সাহাবীও নামাজ […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *