কোন ব্যাক্তিকে অন্য নামে বা বিদ্রূপাত্মক উপাধিতে ডাকা

কোন মানুষের নামকে ভেংচিয়ে, বিদ্রূপ করে, ক্ষেপীয়ে অথবা নাম পরিবর্তন করে অন্য নামা ডাকা একটা বড় ধরনের পাপের কাজ। মহান আল্লহ রব্বুল আলামীন পাক কালামে মানুষকে বিদ্রূপাত্মক নামে ডাকতে নিষেধ করেছেন এবং অন্যত্র প্রত্যেককে তাদের পিতার নামানুসারে ডাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা ইচ্ছা করেই অনেক সময় গুনার কাজ করে ফেলি, যা আমরা নিজেরাই বুঝি না যে, য়ের মাধ্যমে আমাদের অনেক বড় গুনাহ হয়ে গেছে। যেমন: নাম হল ‘ফারুখ’, ভেংচিয়ে তাকে ডাকা হল ফারুক্ক্যা, ফরকা ইত্যাদি। নাম হল ‘আব্দুল্লাহ’, বিদ্রূপ করে তাকে ডাকা হল কিপ্টে, হ্যাবা, ইত্যাদি। নাম হল এরমজান’, ক্ষেপীয়ে তাকে ডাকা হল কাঠবিড়ালি, বোকা-শকুন ইত্যাদি। মোট কথা হল এই ধরনের বিকৃত নামে কাউকে ডাকা কঠিন-তম গুনাহ। এই জাতীয় গুনার দাবী যদি সে ভুক্তভোগী ব্যক্তি মাফ না করেন, তাহলে আল্লহও মাফ করবেন না। আল্লহ ভাল করে মানুষকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোন ব্যক্তি যদি শুধুমাত্র শিরকী/কুফরি গুনাহ থেকে বেচে থাকে, তাহলে মহান আল্লহ রব্বুল আলামীন গফুরুর রহীম হিসাবে যে কোন ব্যক্তিকে যে কোন সময় মাফ করে দিতে পারেন; কিন্তু তিনি অপরের দেনা কখনো মাফ করবেন না। দেনার উদাহরণে দেখা যায় যে, মানুষ তাদের স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করায় একেবারেই শৈথিল্য মনোভব পোষণ করে, অথচ মহান আল্লহ রব্বুল আলামীন পাঁক কালামে ঘোষণা করেছেন যে, ”হে মুমিন গন, তোমরা মৃত্যুর পূর্বে তোমাদের স্ত্রীদের মোহরানা পরিশোধ করে আস”। এখানে সরাসরি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীন বলেছেন যে, সে স্ত্রীদের মোহরানার দাবী কখনো আল্লহ মাফ করবেন না, বরং তার পাওনা তাকেই পরিশোধ করতে হবে অথবা ( স্ত্রী যদি ইচ্ছা করে) সে স্ত্রী কর্তৃকই তা মাফ করাতে হবে। ঠিক এই ক্ষেত্রে মানুষকে কটূক্তি নামে ডাকা মানেই হল তার কাছে দেনা থাকা। কাজেই সাবধান, অবৈধ নামে কাউকে ডেকে তার দাবির নীচে থেকে গুনার পাল্লা ভারী করবেন না। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamqa.com/en/ref/1942/name 

You may also like...