খেজাব বা কলপের ব্যবহার ইসলামী বিধান মোতাবেক না করা

বর্তমানে যদিও অনেকে ফ্যাশন করার জন্য কলপ করে করে থাকে, প্রকৃত অর্থে আলোচনা তাদেরকে নিয়ে নয়, কথা হল তাদেরকে নিয়ে- যাদের চুল/দাড়ি আল্লহর পক্ষ থেকেই পেকে গেছে। চুল/দাড়িতে কলপ সংক্রান্ত ব্যাপারে নবী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যে আদেশ ছিল (আবুবকর সিদ্দিক (রাঃ)এর পিতাকে উল্লেখ করে) তাহলো কিতাবিদের থেকে ব্যতিক্রম করার ব্যাপারে। কারণ: “কিতাবীগন খেজাব ব্যবহার করে না, তাই তোমরা খেজাব ব্যবহার কর তবে কাল রঙ ব্যতীত”। সিহাহ্‌ সিত্তাহর এই কাধিক হাদিসে বর্ণিত আছে যে, “শেষ জমানায় এমন কিছু লোক থাকবে, যারা পাখির পালকের মত চুল কাল করবে, তারা বেহেশত্‌ তো দুরের কথা তার গন্ধও পাবেনা”। এই হাদিসে কাল রঙের কলপ ব্যবহার কারীদের জন্য বিশাল দুঃসংবাদই বটে। তবে একটা বিষয় প্রত্যেকের বুঝা উচিৎ, তাহলো যারা দাড়ি/চুল পাকার পর নিজেকে অল্প বয়স্ক বা জওয়ান দেখানোর জন্য দাড়ি/চুল কাল রঙ করে, তারা যেমন রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের  নিষেধকে অমান্য করে; ঠিক তেমনি যাদের দাড়ি/চুল পাকার পর কালো ব্যতীত অন্য রঙয়ের খেজাব/কলপ করে না, অথবা কিতাবিদের বিপরীত করে না, তারাও রসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের  আদেশকে অমান্য করে। এই দুই প্রকার ব্যক্তির মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অনেকে আবার মনে করে যে, খেজাব মানেই হল মেহেদী পাতা ব্যবহার। আসলে বিষয়টি তা নয়। হারাম নয় এবং  নেল পলিসের মত পুরু হয়ে লাগে না, এমন যে কোন পদার্থ দিয়েই খেজাব হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। শুধু মাত্র কাল রঙ কোন অবস্থায়ই ব্যবহার কর যাবে না। তবে যদি সেটা যুদ্ধ ময়দান হয়, তাহলে শত্রু সৈন্যদের কাছে নিজেদেরকে জওয়ান প্রকাশ করার জন্য তথা তাদের চোখকে ফাঁকি দেয়ার জন্য কাল রঙয়ের খেজাব ব্যবহার করা যাবে। কাজেই প্রতিরক্ষা বাহিনীর লোক কর্মরত থাকা অবস্থায় কাল খেজাব ব্যবহার করতে পারবে। (কিমিয়ায়ে সা’য়াদাত দেখুন)। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2010/8 

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *