তথ্য না নিয়েই রেস্টুরেন্ট বা হোটেলে খাওয়া

103

বাহিরে চলাচলের সময় আমদের কখনো কখনো খাবার প্রয়োজন দেখা দেয়। তখন আমরা তেমন কোন বাছ-বিচার না করে সামনে যে হোটেল পাই, সেখানেই প্রবেশ করে খানার জন্য বসে যাই। আসলে আমরা একবারও চিন্তা করি না যে, সেখানে যে মাংস গুলো পরিবেশন করা হচ্ছে, সেগুলো ইসলামের দৃষ্টিতে আদৌ বৈধ কি-না। ইসলাম আমাদেরকে নির্দেশিকা দিয়েছে যে, কোথাও কোন কিছু খেতে হলে সে জিনিসটি সম্বন্ধে পূর্ণ তথ্য নিয়ে তার পরই কেবল খাওয়া যাবে। তবে কথা থাকে যে, সেখানে যদি এমন কোন পরিচিত লোক থাকে, যার মাধ্যমে সে খাবারের হালাল হওয়ার ব্যাপারে পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া যায়, তাহলে আর নতুন ভাবে জিজ্ঞাসা করার কোন প্রয়োজন পরবে না।

বিশেষ করে মাংস জাতীয় খাবার সম্বন্ধে বেশী গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা সংবাদ পত্রের পাতায় অনেকবার দেখেছি যে, কুকুর- শিয়াল, প্রভৃতি হারাম প্রাণী এবং মরা গরু, মরা ছাগল, মরা মুরগীর মাংস হোটেলে পরিবেশনের তথ্য বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। অনেক সময় এই ব্যাপারে কথা উঠে যে, “ওরা কি মানুষ না, ওরা কি জেনে- শুনে আমাদেরকে খারাপ অথবা হারাম জিনিস খাওয়াবে”?  একটা কথা মনে রাখবেন, যারা কাফের/মুশরিক তাদেরকে সবাই চিনে, কিন্তু যারা মুনাফিক তাদেরকে চেনা খুব কঠিন, তারাই সমাজের জন্য সবচেয়ে ভয়ংকর। অতএব মুরতাদ সবসময়ই কাফির/মুশরিকদের থেকে জঘন্য। তাই যেন-তেন হোটেলে খাওয়া নিঃসন্দেহে ইমানের জন্য ক্ষতিকর। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamicity.com/qa/action.lasso.asp? -db=services&-lay=Ask&-op=eq&number=78&-format=detailpop.shtml&-find

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *