তারাবীর নামাজ ৮ রাকায়াত মনে করা

127

আমার জানা মতে শুধুমাত্র বাংলাদেশেই নয়, বরং পৃথিবীর প্রায় অনেক দেশেই তারাবীর নামাজ নিয়ে একটা দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। নামাজটি যদিও ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ নয়, তবুও এর উপরে সাধারণ মানুষের উৎসুক দৃষ্টির মোটেও কোন কমতি নেই। কাজেই এই স্পর্শকাতর বিষয়ের উপর ব্লগ লিখতে আমি সরাসরি হাদিসকে সামনে নিয়েই লিখতে চাই; যাতে সাধারণ মানুষ তাদের মেধা থেকেই মূল বিষয়টি নিজের আয়ত্তে নিতে পারে এবং সকল জল্পনা- কল্পনার অবসান ঘটাতে পারে। সব থেকে বড় ব্যাপার হল, আমাদের মধ্যে ফরজ-ওয়াজিব কোন বিষয় নিয়ে মতানৈক্য নেই। যতগুলো বিষয় নিয়ে ইসলাম ধর্মের মধ্যে মতানৈক্য বা মত বিরোধ আছে, তার প্রত্যেকটিই সুন্নত বা নফল ইবাদত নিয়ে। আর এই মতানৈক্যে পিছনে কাজ করে ধর্ম বিষয়ে নেতৃত্ব প্রদানকারী আলেমদের সিদ্ধান্ত। কারণ: তাঁরা চান যে, যেহেতু তাঁরা ধর্ম বিষয়ে জানেন এবং পড়া-লেখা করেছেন, তাই তাঁরা যে কথাগুলো বলবেন, সবাই-ই যেন বিনা বাক্যে তাদের মতামতগুলো আমল করার জন্য মেনে নেন। এই আত্মহংকার না থাকলে তাঁরাও সাহাবী (রা:) দের মত সকল বিষয়েই আলোচনা করে যে কোন একটা সিদ্ধান্ত উপনীত হতে পারতেন। এখন আমি বুখারী শরিফের ৪টি হাদিস নিয়ে আলোচনা করব ইনশা-আল্লহ।

Bukhari Volumn 002, Book 021, Hadith Number 256.

Narated By ‘Aisha : Allah’s Apostle offered the ‘Isha prayer (and then got up at the Tahajjud time) and offered eight Rakat and then offered two Rakat while sitting. He then offered two Rakat in between the Adhan and Iqama (of the Fajr prayer) and he never missed them.

উপরোক্ত হাদিস থেকে ১ টি বিষয় জানা যায় যথা:-

১। রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৮ রাকায়াত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করেছেন; যদিও অন্যান্য সহিহ হাদিস থেকে তাঁর ৪ থেকে ১২ রাকায়াত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করারও প্রমাণ আছে।

Bukhari Volumn 003, Book 032, Hadith Number 226.

Narated By Abu Huraira : I heard Allah’s Apostle saying regarding Ramadan, “Whoever prayed at night in it (the month of Ramadan) out of sincere Faith and hoping for a reward from Allah, then all his previous sins will be forgiven.

উপরোক্ত হাদিস থেকে ৩ টি বিষয় জানা যায় যথা:-

১। রমজান মাসের রাত্রি সাধারণ মাসের রাত্রির তুলনায় অধিক মর্যাদাপূর্ণ।

২। আল্লহর কাছে ক্ষমা পাওয়ার জন্য পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং আশা নিয়ে যে ব্যক্তি এই মাসের রাত্রিতে ইবাদত করবে, তার পূর্বের গুনা সমূহ মাফ হয়ে যাবে।

৩। দিনের রোজার সাথে রাত্রির ইবাদতের কোন সম্পর্ক নেই, অর্থাৎ যার যার গুরুত্ব তার তার কাছে। এখানে এই জন্য শুধুমাত্র রাত্রির গুরুত্বই বর্ণিত হয়েছে।

Bukhari Volumn 003, Book 032, Hadith Number 229.

Narated By ‘Urwa : That he was informed by ‘Aisha, “Allah’s Apostle went out in the middle of the night and prayed in the mosque and some men prayed behind him. In the morning, the people spoke about it and then a large number of them gathered and prayed behind him (on the second night). In the next morning the people again talked about it and on the third night the mosque was full with a large number of people. Allah’s Apostle came out and the people prayed behind him. On the fourth night the Mosque was overwhelmed with people and could not accommodate them, but the Prophet came out (only) for the morning prayer. When the morning prayer was finished he recited Tashah-hud and (addressing the people) said, “Amma ba’du, your presence was not hidden from me but I was afraid lest the night prayer (Qiyam) should be enjoined on you and you might not be able to carry it on.” So, Allah’s Apostle died and the situation remained like that (i.e. people prayed individually).”

উপরোক্ত হাদিস থেকে ৬ টি বিষয় জানা যায় যথা:-

১। রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মধ্য রাত্রিতে নামাজ পড়েছিলেন এবং তাঁর সাথে বেশ কিছু সাহাবীও নামাজ পড়েছিলেন।

২। সাহাবীদের আলোচনার মাধ্যমেই রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাত্রি কালীন নামাজের বিষয়টি চতুর্মুখ ছড়িয়ে পরেছিল।

৩। তিনি শুধুমাত্র তিন রাত্রি নামাজ পড়েছিলেন।

৪। চতুর্থ রাত্রি থেকে তিনি আর কখনোই এই নামাজ সমষ্টিগত ভাবে পড়েননি।

৫। মুসলমানদের উপর নামাজ বাধ্যতামূলক বা ফরজ হওয়ার ভয়েই তিনি চতুর্থ রাত থেকে মসজিদে যাওয়া বন্ধ করেছিলেন।

৬। আল্লহর রসুলের ওফাত পর্যন্ত একই অবস্থা চলতে থাকে, অর্থাৎ নামাজ যার-যার মত ব্যক্তিগত ভাবেই পড়ে যাচ্ছিলেন।

Bukhari Volumn 003, Book 032, Hadith Number 227.

Narated By Abu Huraira : Allah’s Apostle said, “Whoever prayed at night the whole month of Ramadan out of sincere Faith and hoping for a reward from Allah, then all his previous sins will be forgiven.” Ibn Shihab (a sub-narrator) said, “Allah’s Apostle died and the people continued observing that (i.e. Nawafil offered individually, not in congregation), and it remained as it was during the Caliphate of Abu Bakr and in the early days of ‘Umar’s Caliphate.” ‘Abdur Rahman bin ‘Abdul Qari said, “I went out in the company of ‘Umar bin Al-Khattab one night in Ramadan to the mosque and found the people praying in different groups. A man praying alone or a man praying with a little group behind him. So, ‘Umar said, ‘In my opinion I would better collect these (people) under the leadership of one Qari (Reciter) (i.e. let them pray in congregation!)’. So, he made up his mind to congregate them behind Ubai bin Ka’b. Then on another night I went again in his company and the people were praying behind their reciter. On that, ‘Umar remarked, ‘What an excellent Bid’a (i.e. innovation in religion) this is; but the prayer which they do not perform, but sleep at its time is better than the one they are offering.’ He meant the prayer in the last part of the night. (In those days) people used to pray in the early part of the night.”

উপরোক্ত হাদিস থেকে ৯ টি বিষয় জানা যায় যথা:-

১। শুধুমাত্র রমজান মাসের এক রাত্রি নয়, বরং পুরো রমজান মাসের রাত্রিই ইবাদত করলে গুনাহ মাফের কথা বলা হয়েছে।

২। রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাতের পরে জামায়াতে রাত্রিকালীন নামাজ না পড়ে শুধুমাত্র ব্যক্তিগতভাবেই নামাজ পড়ার রীতি বলবত ছিল।

৩। হযরত আবু বক্কর (রাঃ)এর খিলাফতের সময়ও ব্যক্তিগত ভাবে নামাজ পড়ার রীতি বলবত ছিল।

৪। হযরত ওমর (রা:)এর খিলাফতের প্রথম দিকেও ব্যক্তিগতভাবে নামাজ পড়ার রীতি বলবত ছিল।

৫। একদিন ওমর (রা:) আব্দুর রহমান (রা:) কে সাথে নিয়ে মসজিদে যেয়ে সাহাবি (রা:) দেরকে একক ভাবে এবং জামাতের সাথে বিভিন্ন অবস্থায় নামাজ-রত দেখতে পেলেন। তখন তিনি নতুন সিদ্ধান্তের চিন্তা করলেন।

৬। সে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ওমর (রা:) সকলকে নিয়ে এক ইমামের পিছনে জামাতের সাথে নামাজ পড়ার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন।

৭। অন্য এক রাত্রে ওমর (রা:) আবার সে মসজিদে যেয়ে একজন ইমামের নেতৃত্বে সবাইকে নামাজরত দেখতে পেলেন।

৮। তিনি সে নামাজের ব্যবস্থাকে বিদ্‌য়াত হিসাবেও আখ্যায়িত করলেন। কারণ: রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে এই ধরনের জামায়াতে নামাজের কোন ব্যবস্থা ছিল না; যদিও তিনি এই ব্যবস্থাকে পবিত্রতম রাত্রি সমূহের ঘুম থকে উত্তম বলে মত প্রকাশ করলেন।

৯। তিনি এই নামাজকে রাতের শেষভাগে আদায়ের পক্ষেই মত প্রকাশ করলেন। কারণ: তখন রাতের প্রথম ভাগেই সাধারণত (বর্তমানের মত) নামাজ পড়া হত। সেই নিয়মটিই আজও মক্কা শরীফ এবং  মদিনা শরীফে প্রচলিত আছে।

অতএব উল্লিখিত হাদিস সমূহ থেকে জানা যায় যে, রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনোই তারাবী নামাজই পড়েননি। তারাবি শব্দটার আবির্ভাব হয়েছে তারাব বা বিশ্রাম শব্দ থেকে। রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে তিন দিন নামাজ পড়েছেন, তা ৮ রাকায়াতই পড়েছিলেন এবং তার জন্য কোন বিশ্রামের প্রয়োজন পড়েনি। কারণ: সে নামাজগুলো ছিল রমজানের ফজিলত পূর্ণ রাত্রের তাহাজ্জুদ নামাজ বা কিয়ামুল লাইল। সহিহ হাদিস-তো দুরের কথা, দুর্বল হাদিসের কোথাও সে নামাজকে তারাবি বলা হয়নি। যেখানেই সে ৮ রাকায়াত নামাজকে তারাবি হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে, সেখানেই তা লিখা হয়েছে ব্রাকেটের ভিতরে। কাজেই তারাবী সরাসরি হাদিসের শব্দ নয়। তাই সে তাহাজ্জুদ নামাজ বা কিয়ামুল লাইলকে কখনোই ৮ রাকাত তারাবীর ডকুমেন্ট হিসাবে চালানো যাবে না।

উদাহরণস্বরূপ কোন সরকার নভেম্বর মাসে পে স্কেল ঘোষণা দিল। নিয়মানুসারে পে স্কেলের সকল সুবিধা শুরু হয় অর্থ বৎসরের শুরু তথা জুলাই মাস থেকে। মনে করি পূর্বে কোন ব্যক্তির বেতন ছিল ৮, ০০০ টাকা। নতুন স্কেলে তার বেতন হল ১২, ০০০ টাকা। নিয়মানুসারে ডিসেম্বর মাসে সে ব্যক্তি ১২, ০০০ টাকা পাবে ঠিকই, তবে সে সাথে যখন জুলাই মাসের বকেয়া টাকা পায়, তখন সে বকেয়া টাকাকে কি মানুষ বেতন বলে, না এরিয়াল পে বলে?  সেই পূর্বের প্রাপ্য ৪, ০০০ টাকাকে যে ব্যক্তি বেতন বলে, নিশ্চয়ই সে ব্যক্তির হয়তো বুঝার মত জ্ঞানের অভাব আছে, নয়তো তার মাথায় কোন দোষ আছে। সেক্ষেত্রে ওমর (রা:)এর নির্দেশের পর থেকে রমজান মাসের রাতের নামাজকে যদি তারাবি হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়, তাহলে কি পূর্বের সকল রমজান মাসের রাতের নামাজ তারাবী হয়ে যাবে?  মোটেও না। কারণ: ওমর (রা:)এর পূর্বের কোন নামাজকে তারাবী বলা মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

তথ্যানুসারে রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আবু বক্কর (রা:) কখনও তারাবী নামাজই পড়েননি। বরং তাঁরা রমজানের ফজিলতপুর্ণ রাত্রে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েছেন এবং তা নিতান্তই একাকী। ওমর (রা:) তাঁর শাসনের প্রথম দিকেও তিনি এবং সবাই তাহাজ্জুদই আদায় করেছেন। তার পরে তিনি ওবাই ইবনে কাব (রা:)এর নেতৃত্বে সর্ব প্রথম জামায়াতে নামাজের নির্দেশিকা জারি করেন। তখন সবাই মিলে এক ইমামের পিছনে দীর্ঘ সময় নামাজ পড়ার ফলে অনেকেই ক্লান্ত হয়ে পরতেন। আর সে সময় থেকেই নামাজের মধ্যেই প্রতি চার রাকায়াত পর পর একটা তারাব বা বিশ্রামের ব্যবস্থা করেছিলেন। একমাত্র সেই নামাজের মধ্যবর্তী যায়গা সমূহে বিশ্রাম থাকার ফলে তখন থেকেই সে নামাজের নাম হয় তারাবী। পরবর্তী আমিরুল মো’মেনিন-গনও একই নিয়ম মেনে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

হযরত আনাস (রাঃ) রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনের শেষদিকের সময়ের অবস্থানরত সঙ্গীদের মধ্যে অন্যতম সাহাবি ছিলেন। আরও প্রমাণিত যে, তিনিই একনিষ্ঠ-ভাবে সবথেকে বেশি সময় আল্লাহর রসুলের শেষ জীবনের দিনগুলোর সেবক ছিলেন। যার ফলে হানাফি মাজহাব সহ প্রায় ইমামই অনেক বিতর্কিত ক্ষেত্রে আনাস (রাঃ) এর আমলকে অধিক গুরুত্ব দেন। জুমুয়ার নামাজের পূর্বে ও পরে মোট আট রাকায়াত নামাজকে (ক্কাবলাল জুমুয়া এবং বাদাল জুমুয়া) সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ বলা হয়, তা একমাত্র আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) এর নিয়মিত ব্যক্তিগত আমল। এমতাবস্থায় কিন্তু আহলে হাদিসের সমর্থক ভাইদের কোন মতানৈক্য নেই। (রাঃ) অপর সাহাবীর ব্যক্তিগত নিয়মিত আমল ২০ রাকায়াত তারাবীর নামায যখন হানাফি মাজহাবের সমর্থক-গন আমল করেন, তখন তারা আর এটাকে মানতে রাজি নন; যদিও এই নামাজ সর্বপ্রথম শুরু করেছিলেন এবং ২০ রাকায়াত হিসাবে চালু করেছিলেন হযরত ওমর (রাঃ)।

আমার প্রস্তাব হল, যে সকল মনিষী-গন তাদের শরীরে সাহাবী (রা:) দের রক্ত বয়ে বেড়াচ্ছেন, যাদের মাতৃভাষা আরবি, যারা বংশ পরস্পরায় রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবি (রা:) দের ধর্মীয় নীতিমালাকে অনুসরণ করে ধর্ম পালন করে আসছে, আমরা কি তাদের চেয়ে বেশি বুঝি?  আমাদের কতটুকু পিছনের পূর্ব-পুরুষ মুশরিক ছিল, তা একবার আমরা হিসাব করে দেখেছি কি?  যদি তারাবী ২০ রাকাতই না হত, তাহলে মক্কা শরীফ এবং মদিনা শরীফে আজও ২০ রাকায়াত তারাবী পড়া হত না। রমজান মাসের তিন ওয়াক্ত নামাজ সহ প্রতিদিনের দুই ঘণ্টার তারাবি এবং অতিরিক্ত হিসাবে রমজানের শেষের দশ দিনে দুই ঘণ্টার জামায়াতে আদায়-রত তাহাজ্জুদ সরা-সরি হেরেম শরিফ এবং মদিনা শরিফ থেকে তাঁরা ভিডিও এবং অডিওয়ের মাধ্যমে সার পৃথিবীকে দেখাচ্ছে এবং শোনাচ্ছে, এই ব্যাপারে আমাদের বেশি বুঝনে-ওয়ালা হুজুর সাহেবদের কোন তথ্য জানা আছে কি?  না জানা থাকলে রমজান মাসের শুরু থেকে ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের সাইট ব্রাউজ করুন। সামর্থ্য থাকলে নিজ চোখে দেখুন বা কানে শুনুন।

http://www.islamicity.com/multimedia/livetv/

এখানে আরও একটি তথ্য উপস্থাপন করতে চাই, তাহলো প্রতিদিনের দুপুরের নামাজকে বলে যোহরের নামাজ, আর শুক্রবারের দুপুরের নামাজকে বলে জুমুয়ার নামাজ। ঠিক তেমনি প্রতি রাত্রের অতিরিক্ত নফল নামাজকে বলে তাহাজ্জুদ নামাজ, আর রমজান মাসের রাত্রের অতিরিক্ত নফল নামাজকে বলে তারাবীর নামাজ। অতএব উল্লিখিত হাদিস এবং এতগুলো চাক্ষুষ তথ্য-যুক্তি উত্থাপন করার পরও যারা বলবে যে, তারাবী ৮ রাকায়াত বা হুজুর সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৮ রাকায়াত তারাবীই পড়ে গেছেন, নিঃসন্দেহে তারা বহু বড় মাপের গোঁড়া বা ফিতনা নিয়ে বেচে আছেন। হানাফি এবং আহলে হাদিসদের মতানুসারে তারাবীর নামাজ ২০ রাকায়াত বা ৮ রাকায়াত যা-ই বলা হোক না কেন, তা কিন্তু আমাদের সমাজের মত ইশার নামাজের সাথেই আদায় করা হয়নি; বরং তা হয়েছে মধ্য রাতের পরে, যে বিধান এখনো হেরেম শরিফ বা মদিনা শরিফের প্রচলিত আছে। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/fiqh.htm

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2010/8/tarawih-1.htm

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2010/8/Taraweeh-2.htm

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2010/8/2-Questions.htm

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2008/9/tarave-prayer.htm

http://www.islam-qa.com/en/ref/2730/Tarawih

http://www.islam-qa.com/en/ref/1255/Tarawih

http://www.islam-qa.com/en/ref/65572/Taraweeh

 

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *