ফজরের সুন্নতের গুরুত্ব কম দেয়া

124

সহীহ হাদিসে বর্ণিত আছে যে, “যত প্রকার নফল নামাজ আছে, তার মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ নামাজ হল ফজরের পূর্বের দুই রাকায়াত সুন্নত নামাজ”। অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে যে, “এই পৃথিবী এবংয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তার থেকে উত্তম হল ফজরের দুই রাকায়াত (সুন্নত) নামাজ”। হযরত কায়েস ইবনে আমর (রা:) বলেন, “যখন (ফজরের নামাজের) ইকামাত দেয়া হচ্ছিল, তখন মহানবী সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাহিরে আসলেন এবং আমিও তাঁর সাথে নামাজ আদায় করলাম। নামাজ শেষে তিনি আমাকে (আবার) নামাজরত অবস্থায় দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, “হে কায়েস, সান্ত হও। দুই নামাজ একসাথে”?  আমি বললাম, “আমি ফজরের পূর্বের দুই রাকায়াত (সুন্নত) পড়িনি”। তিনি বললেন, “না! তাই”। অতঃপর তিনি নীরব ছিলেন”। এর অর্থ হল অধিক ফজিলতের কারণে বাদ পরা সুন্নত আদায় করা উচিৎ।

প্রশ্ন হল হাদিসে আছে যে, “ফজরের পরে কোন নামাজ নেই, যতক্ষণ পর্যন্ত সূর্য পূর্ণ রূপে উদিত না হয়”। অথচ কায়েস (রা:) নামাজ আদায় করলেন। আসলে ব্যাপারটি হল এমন যে একমাত্র ফজরের সুন্নতই সূর্য উদয়ের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আদায় করা যাবে এবং করা উচিৎ। অনেকে পরে এই সে জামায়াতে হাজির হওয়াতে সুন্নত পড়তে পারে না এবং পরবর্তীতে আর সে সুন্নত আদায় করে না। কোন কোন আলেম বলে থাকেন যে, “বাদ পরা সুন্নত আদায় করা উত্তম; তবে না পড়লেও দোষের কিছু নেই”। আবার কেউ বলে থাকেন যে, “পড়া যাবে, তবে পূর্ণ রূপে সূর্য উদয়ের পরে তথা এই শরাকের নামাজের সময়ে”। আসলে এই সিদ্ধান্ত গুলো ভুল। কারণ: স্বয়ং মহানবী সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু নীরব থেকেছেন, অর্থাৎ কায়েস (রা:) কে নিষেধ করেননি, সুতরাং এর অর্থ হল পূর্বের বাদ পরা গুরুত্বপূর্ণ এই নামজটি ফজরের নামাজের পরে সূর্য উদয়ের পূর্বেই আদায় করা উচিৎ। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamqa.com/en/ref/65746

 

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *