মসজিদের নিকটস্থ দোকানে জুমুয়ার নামাজ আদায় করা

বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক মসজিদেই যায়গার অভাবে মসজিদ সংশ্লিষ্ট বাহিরে জুমুয়ার নামাজ আদায় করতে হয়। তাছাড়া অন্যান্য দিন সমূহে মসজিদের প্রায় অংশই খালি থাকার কারণে মসজিদের যায়গা নিয়ে তেমন কোন চিন্তায় পড়তে হয় না। সমস্যাটি দেখা দেয় শুধু মাত্র শুক্রবারে। সেই দিন অনেক অনিয়মিত নামাজীই নামাজের জন্য মসজিদে আসে। যার ফলে সেই দিন বেশীরভাগ ক্ষেত্রে নিয়মিত নামাজীরও মসজিদের ভিতরের চত্বরে যায়গা হয় না। যাহোক এটা কোন দোষের ব্যাপার না হয়ে বরং ভাল লক্ষণ। কারণ হয়তো এভাবে অনিয়মিত নামাজী থেকেই একদিন সেই ব্যক্তি নিয়মিত নামাজীতে পরিণত হবে।

জুমুয়ার দিনে পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবেই জায়গার অ-সংকুলান মসজিদগুলোতে তাদের নির্দিষ্ট সীমার বাহিরেও নামাজের জন্য জায়নামাজ বা চটের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানেও ইসলামের বিধানে কোন সমস্যা নেই। সব থেকে বড় সমস্যা হল সেখানেই, যখন মসজিদের নিকটস্থ দোকানে তাদের ব্যক্তিগত সুবিধা তথা ফ্যানের বাতাস বা মসৃণ মেঝেতে বসার জন্য মসজিদের ভিতরে বসা বাদ রেখে সেই দোকানের মধ্যেই বসে থাকে। কারণ: এই ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক কালামে এরশাদ করেন, “হে মু’মিন-গন। জুমুয়ার দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ কর। ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা উপলব্ধি কর”। উল্লেখিত আয়াতে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে যারা দোকান খোলা রেখে বেচা-কেনা করে, তারা সরাসরি কুফরি করে। অপর পক্ষে যারা দোকান খোলা রেখে সেই দোকানেই নামাজের জন্য বসে থাকে, তারা নিশ্চয়ই আল্লাহর উপরোক্ত আদেশ অমান্য কারীদের থেকে বাহিরে নয়।

উদাহরণ স্বরূপ: কোন একজন জুতার দোকানদার তার দোকান খোলা রেখে সেই দোকানেই নামাজের জন্য বসে থাকল। সেই দোকানের পাশেই একজন নামাজীর নজরে বিভিন্ন প্রকারের জুতা পরাতে তার মধ্য থেকে একটি জুতাকে মনে মনে পছন্দ করল এবং মনে মনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল যে, নামাজ শেষ করেই সে জুতাটি কিনবে বা তার দাম জিজ্ঞাসা করবে। এমতাবস্থায় মসজিদের নিকটস্থ দোকানটি খোলা থাকার কারণেই কি সেই ব্যক্তি নামাজ পড়তে এই সে কেনা-কাটার অর্ধেক কাজ তথা পছন্দটি করে রাখল না?  দোকানদার যদি আল্লাহর আদেশ মান্য করে তার দোকান বন্ধ রাখত, তাহলে কি সেই নামাজীর পক্ষে পছন্দ-কৃত জুতাটি দেখা বা সেই বিষয়ে পরিকল্পনা করা সম্ভব হত?  উত্তরটি পাঠকের জন্য রাখলাম। সর্বোপরি যে সকল মসজিদে জুমুয়ার নামাজ আদায় হয়, তার নিকটস্থ কোন দোকান খোলা রেখে সেই দোকানে নামাজ আদায় করা মোটেও উচিত নয়। তবে যদি দোকানটি একেবারেই খালি থাকে, তাহলে অবশ্যই দোষের কিছু নেই। মূলত: এই সকল বিষয়ে স্থানীয় ইমামদেরকে যথেষ্ট সজাগ দৃষ্টি রাখার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islam-qa.com/en/ref/45611/jumu’ah prayer in a shop

You may also like...

20 Responses

  1. I believe you have noted some very interesting details, thankyou for the post. 🙂

  2. wozosoniy says:

    how soon does orlistat work. orlistat cap 120 mg How much weight did you lose on xenical – orlistat trade name india, major side effects of orlistat,

  3. I went over this site and I think you have a lot of good information, saved to fav 🙂

  4. Like says:

    Like!! Really appreciate you sharing this blog post.Really thank you! Keep writing.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *