মসজিদে রাত্রি যাপন অবৈধ মনে করা

77বর্তমানে বিশ্বের সকল তাবলীগ জামাতের সদস্য-গন সাধারণত মসজিদে থেকেই ধর্মীয় দাওয়াত প্রদান করে থাকেন। সে সাথে তারা মসজিদে রাত্রি যাপনও করেন। এই ব্যবস্থাটি শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয়, বরং পৃথিবীর সর্বত্রই একই ভাবে মুসলমান-গন মসজিদে রাত্রি যাপন করে আসছে। কোথাও তেমন কোন কথা না থাকলেও আমাদের দেশে কিন্তু তাবলীগ জামাতকে পছন্দ করে না এমন কিছু মাওলানা উপাধির ব্যক্তি গন সরাসরি বলে থাকেন যে, “মসজিদ হল নামাজ পড়ার বা ইবাদতের যায়গা, এখানে কোন মানুষের জন্য শুয়ে থাকা জায়েজ নেই”। অথচ ইবনে ওমর (রা:) বলেন, “রসুলুল্লাহ সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে আমরা মসজিদে নিদ্রা যেতাম। আর আমরা ছিলাম নব যুবক”।

হাদিসের এই যুবক কথাটি বলার পিছনে বিশাল কারণ জড়িত আছে। তাহলো একজন যুবকের প্রাকৃতিক-গত ভাবেই দৈহিক সমস্যা তথা স্বপ্ন দোষ হওয়াটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কাজেই এই ক্ষেত্রেও মসজিদে রাত্রি যাপন করা কোন সমস্যা নেই। যারা মসজিদে নিদ্রা যান, তাদের প্রত্যেকেই সে ধরনের প্রস্তুতি নিয়েই মসজিদে নিদ্রা যান। পরশ্রীকাতরতার কারণে উলটো পালটা মাসয়ালা বলা ঠিক না। আমি সে সকল মাওলানা উপাধি ধারী ব্যক্তিদের বলব যে, আপনারা অযথা সাধারণ মানুষকে ভুল তথ্য দিয়ে ধর্মের মধ্যে বিভ্রাট সৃষ্টি করবেন না। অতএব আপনি যত বেশী বেশি কিতাব পড়বেন, তত বেশি ধর্ম সম্বন্ধে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন, এবং এক সময় আপনার কাছে সব বিষয় তুলনামূলক ভাবে অনেক সহজ মনে হবে। তখন আর মনগড়া কোন কিছু বলতে ইচ্ছা করবেনা। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamicity.com/qa/action.lasso.asp? -db=services&-lay=Ask&-op=eq&number=4836&-format=detailpop.shtml&-find

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *