মহিলাদের জন্য জামায়াতে অথবা জুমুয়ার নামাজ পড়া

মহিলাদের জন্য জুমুয়ার নামাজ পড়ার উপরে কোন বাধ্য-বাধকতা নেই। বরং তাদেরকে জুমুয়ার নামাজে অংশগ্রহণ করতে অনুৎসাহিত করা হয়েছে। বরং বলা হয়েছে যে, “মহিলারা জুমুয়ার নামাজের পরিবর্তে বাসায় যোহরের নামাজ আদায় করবে। আর যদি কেউ এই কান্ত ভাবেই জুমুয়ার নামাজ পড়ার ইচ্ছা করে, তাহলে তার জন্য সর্বোচ্চ দুই রাকায়াতই যথেষ্ট”। তারা খুতবা শুনার জন্য যাবে না, বরং শুধুমাত্র ফরজ নামায আদায় করেই চলে আসবে। এখানে তাদের পর্দা রক্ষা তথা শরীরটাকে পুরুষের দৃষ্টির আড়ালে রাখার জন্যই বেশী তাগিদ দেয়া হয়েছে। তারা মসজিদে যাবে পুরুষদের পরে এবং ফিরবে পুরুষদের আগে। অন্যত্র বলা হয়েছে যে, “দিনের বেলার কোন নামাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ না করাটাই উত্তম”। অতএব, এত বিধি-বিধানের দিকে না যেয়ে জুমুয়ার নামাজে কোন মহিলাদের না যাওয়াটাই হল সর্বোত্তম ব্যবস্থা।

মহানবী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মহিলাগণকে মসজিদ থেকে বাধা দিবে না, তবে তাদের ঘর সমূহ তাদের জন্য উত্তম স্থান”। তিনি অন্যত্র বলেন, “মহিলাদের নিজ কামরায় সালাত আদায় করা তার ঘরে সালাত আদায় করা অপেক্ষা উত্তম। কামরার নিভৃত কুঠুরিতে তার সালাত আদায় করা কামরায় সালাত আদায় করা অপেক্ষা উত্তম”। কাজেই বর্তমান পারি-পারশিক অবস্থা তথা উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, মহিলাদের জন্য জুমুয়া বা মসজিদে জামায়াতে নামাজ না পড়াটাই সব থেকে উত্তম বিষয়। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamqa.com/en/ref/73339/peoples%20for%20jumu’ah

http://www.islamqa.com/en/ref/2229/jumu’ah

http://www.islamqa.com/en/ref/8868/children%20pray%20

 

You may also like...

1 Response

  1. You have observed very interesting details! ps decent internet site. 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *