স্ত্রীর জন্য পৃথক বাড়ীর ব্যবস্থা অন্যায় মনে করা

স্বামী স্ত্রীর সংসার শব্দটা সৃষ্টির শুরু থেকেই চলে আসছে। তবে আগের যুগে পৃথিবীতে লোক সংখ্যা ছিল কম, কিন্তু মানুষের জন্য যায়গা ছিল বেশি। যার কারণে গৃহ সংক্রান্ত সমস্যা ছিল কম। তখন মানুষ এক যায়গায় সকলে মিলে মিশে থেকে জীবন যাপন করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করত। তবে ইসলামের বিধানটা তুলনা মূলক ভাবে অন্যান্য ধর্মের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ইসলামে মাহরাম এবং গায়রে মাহরাম বলতে শব্দ আছে। যাদের সাথে স্ত্রী লোকদের দেখা দেয়া যাবে কি যাবে না, সে সংক্রান্ত বিধান জড়িত আছে।

কাজেই কোন লোক বিবাহ করার পূর্বেই যদি এই ধরনের কোন প্রস্তাব আসে যে, বিবাহের পর কনের জন্য আলাদা বাড়ীর ব্যবস্থা করতে হবে, তাহলে সেটা কোন দোষের কিছু নয়। অধিকন্তু যদি বিয়ের পূর্বে কনের সাথে এই ধরনের কোন চুক্তি থাকে যে, বিয়ের পরই কনের জন্য আলাদা বাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে, এবং বিবাহের পরবর্তী সময়ে যদি বরের পক্ষে কনের সে দাবি মিটান সম্ভব না হয়, তাহলে যদি সে স্ত্রী তার স্বামীর সাথে সংসার করতে না চায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই স্ত্রী সে স্বামীকে বিনা বাধায় তালাক দিতে পারবে। এই সময় বর কোন ভাবেই তার স্ত্রীকে বরের পিতার সংসারের পরিবার-পরিজনদের সাথে মিলে–মিশে থাকতে বাধ্য করতে পারবে না। তবে স্ত্রী যদি পূর্ব ওয়াদা মোতাবেক স্বামীর দ্বারা আলাদা বাড়ী করার সামর্থ্য নেই মনে করে স্বামীর পিতার পরিবারের সাথেই থেকে যায়, তাহলে কোন আপত্তি নেই। কেউ যদি বিবাহের পূর্বেই হবু স্ত্রীর জন্য আলাদা বাড়ীর ব্যবস্থা করে থাকে, তাহলেও দোষের কিছু নেই; যদিও বর্তমানে আমাদের সমাজে এই বিষয়টিকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখা হয়।

বর্তমানে আমাদের মধ্যে আরেকটি ভ্রান্ত ধারনা সমাজে প্রচলিত আছে, তাহলো মানুষ মনে করে যে পুত্রকে বিবাহ করালেই তার স্ত্রীর নিকট থেকে সেবা নিতে হবে। আর এই সুযোগে শাশুড়ি এবং ননদেরা নববধূকে যথেষ্ট মানসিক কখনোবা শারীরিকভাবেও নির্যাতন করে থাকে, কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে এধরনের কোন বিধান প্রচলিত নেই। তবে হিন্দু ধর্মে কিছু রীতি-নীতি আছে যা দেখা-দেখি আমাদের মুসলিম সমাজে চলে আসছে; যদিও এটা একেবারেই অনৈসলামিক। ইসলাম কখনোই বৃহত্তম পরিবারকে বা যৌথ পরিবারকে গুরুত্ব দিয়ে সমর্থন করে না। এক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিত যে, কোন শশুর-শাশুড়ি যদি তাদের পুত্রবধূকে কোন কিছু করার জন্য আদেশ দেয় এবং তার স্বামী অন্যটি করার জন্য আদেশ দেয়, এক্ষেত্রে স্বামীর আদেশ পালন করা সেই স্ত্রীর জন্য ফরজ অথচ শশুর-শাশুড়ির আদেশ অমান্য করার জন্য এক্ষেত্রে কোন গুনাই তার হবে না। এছাড়াও কোন অবস্থায়ই ইসলামী নিয়মে শশুর-শাশুড়ির সেবা করা বা আদেশ মানতে স্ত্রী বাধ্য নয়। তবে এমতাবস্থায় অবশ্যই স্ত্রীকে মনে রাখতে হবে যে, যদি কোন স্ত্রী তার শশুর-শাশুড়ির সেবা করে বা শরিয়তি আদেশ মান্য করে, তাহলে সে তার স্বামীর ভালবাসা তুলনামূলক ভাবে বেশি পাবে অর্থাৎ স্বামী তার উপর অধিক সন্তুষ্ট থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কাজেই শশুর-শাশুড়িকে তার পুত্রবধূর উপর কোন আদেশ দেয়ার সময় চিন্তা করে দিতে হবে যে, এই আদেশটি আমার পুত্রবধূকে দেয়ার মত আমার এখতিয়ার আছে কি-না। অযথাই নিজেরা পুত্রবধূ থেকে কোন সেবা পাচ্ছে না, এধরনের ধারনা পোষণ করলে শুধুমাত্র নিজের মনে অশান্তি বৃদ্ধি পাওয়া ছাড়া আর কিছুই না। এখানে অধিক গুরুত্বের সাথে মনে রাখা উচিৎ যে, পুত্রবধূ তার শশুর-শাশুড়ির আদেশ পালন না করলেও কিছু হবে না ঠিকই কিন্তু সেই সন্তানের জন্য পিতা-মাতার আদেশ পালন করা ফরজ। আর কোন স্ত্রী যদি মনে করে যে, যেহেতু স্বামীর জন্য তার পিতা-মাতার সংগত আদেশ মানা বা সেবা করা ফরজ, সেহেতু স্বামীর বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে যদি সেই দায়িত্ব স্ত্রী পালন করে তাহলে সেটি হবে ‘সোনায় সোহাগা’। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

স্বামী স্ত্রীর সংসার শব্দটা সৃষ্টির শুরু থেকেই চলে আসছে। তবে আগের যুগে পৃথিবীতে লোক সংখ্যা ছিল কম, কিন্তু মানুষের জন্য যায়গা ছিল বেশি। যার কারণে গৃহ সংক্রান্ত সমস্যা ছিল কম। তখন মানুষ এক যায়গায় সকলে মিলে মিশে থেকে জীবন যাপন করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করত। তবে ইসলামের বিধানটা তুলনা মূলক ভাবে অন্যান্য ধর্মের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ইসলামে মাহরাম এবং গায়রে মাহরাম বলতে শব্দ আছে। যাদের সাথে স্ত্রী লোকদের দেখা দেয়া যাবে কি যাবে না, সে সংক্রান্ত বিধান জড়িত আছে।

কাজেই কোন লোক বিবাহ করার পূর্বেই যদি এই ধরনের কোন প্রস্তাব আসে যে, বিবাহের পর কনের জন্য আলাদা বাড়ীর ব্যবস্থা করতে হবে, তাহলে সেটা কোন দোষের কিছু নয়। অধিকন্তু যদি বিয়ের পূর্বে কনের সাথে এই ধরনের কোন চুক্তি থাকে যে, বিয়ের পরই কনের জন্য আলাদা বাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে, এবং বিবাহের পরবর্তী সময়ে যদি বরের পক্ষে কনের সে দাবি মিটান সম্ভব না হয়, তাহলে যদি সে স্ত্রী তার স্বামীর সাথে সংসার করতে না চায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই স্ত্রী সে স্বামীকে বিনা বাধায় তালাক দিতে পারবে। এই সময় বর কোন ভাবেই তার স্ত্রীকে বরের পিতার সংসারের পরিবার-পরিজনদের সাথে মিলে–মিশে থাকতে বাধ্য করতে পারবে না। তবে স্ত্রী যদি পূর্ব ওয়াদা মোতাবেক স্বামীর দ্বারা আলাদা বাড়ী করার সামর্থ্য নেই মনে করে স্বামীর পিতার পরিবারের সাথেই থেকে যায়, তাহলে কোন আপত্তি নেই। কেউ যদি বিবাহের পূর্বেই হবু স্ত্রীর জন্য আলাদা বাড়ীর ব্যবস্থা করে থাকে, তাহলেও দোষের কিছু নেই; যদিও বর্তমানে আমাদের সমাজে এই বিষয়টিকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখা হয়।

বর্তমানে আমাদের মধ্যে আরেকটি ভ্রান্ত ধারনা সমাজে প্রচলিত আছে, তাহলো মানুষ মনে করে যে পুত্রকে বিবাহ করালেই তার স্ত্রীর নিকট থেকে সেবা নিতে হবে। আর এই সুযোগে শাশুড়ি এবং ননদেরা নববধূকে যথেষ্ট মানসিক কখনোবা শারীরিকভাবেও নির্যাতন করে থাকে, কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে এধরনের কোন বিধান প্রচলিত নেই। তবে হিন্দু ধর্মে কিছু রীতি-নীতি আছে যা দেখা-দেখি আমাদের মুসলিম সমাজে চলে আসছে; যদিও এটা একেবারেই অনৈসলামিক। ইসলাম কখনোই বৃহত্তম পরিবারকে বা যৌথ পরিবারকে গুরুত্ব দিয়ে সমর্থন করে না। এক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিত যে, কোন শশুর-শাশুড়ি যদি তাদের পুত্রবধূকে কোন কিছু করার জন্য আদেশ দেয় এবং তার স্বামী অন্যটি করার জন্য আদেশ দেয়, এক্ষেত্রে স্বামীর আদেশ পালন করা সেই স্ত্রীর জন্য ফরজ অথচ শশুর-শাশুড়ির আদেশ অমান্য করার জন্য এক্ষেত্রে কোন গুনাই তার হবে না। এছাড়াও কোন অবস্থায়ই ইসলামী নিয়মে শশুর-শাশুড়ির সেবা করা বা আদেশ মানতে স্ত্রী বাধ্য নয়। তবে এমতাবস্থায় অবশ্যই স্ত্রীকে মনে রাখতে হবে যে, যদি কোন স্ত্রী তার শশুর-শাশুড়ির সেবা করে বা শরিয়তি আদেশ মান্য করে, তাহলে সে তার স্বামীর ভালবাসা তুলনামূলক ভাবে বেশি পাবে অর্থাৎ স্বামী তার উপর অধিক সন্তুষ্ট থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কাজেই শশুর-শাশুড়িকে তার পুত্রবধূর উপর কোন আদেশ দেয়ার সময় চিন্তা করে দিতে হবে যে, এই আদেশটি আমার পুত্রবধূকে দেয়ার মত আমার এখতিয়ার আছে কি-না। অযথাই নিজেরা পুত্রবধূ থেকে কোন সেবা পাচ্ছে না, এধরনের ধারনা পোষণ করলে শুধুমাত্র নিজের মনে অশান্তি বৃদ্ধি পাওয়া ছাড়া আর কিছুই না। এখানে অধিক গুরুত্বের সাথে মনে রাখা উচিৎ যে, পুত্রবধূ তার শশুর-শাশুড়ির আদেশ পালন না করলেও কিছু হবে না ঠিকই কিন্তু সেই সন্তানের জন্য পিতা-মাতার আদেশ পালন করা ফরজ। আর কোন স্ত্রী যদি মনে করে যে, যেহেতু স্বামীর জন্য তার পিতা-মাতার সংগত আদেশ মানা বা সেবা করা ফরজ, সেহেতু স্বামীর বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে যদি সেই দায়িত্ব স্ত্রী পালন করে তাহলে সেটি হবে ‘সোনায় সোহাগা’। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamqa.com/en/ref/144557/gift

http://islamqa.com/en/ref/6388

https://islamqa.info/en/2083

https://islamqa.info/en/140687

https://islamqa.info/en/103426 

You may also like...

5 Responses

  1. denahekuk says:

    when is it best to take orlistat. how much is orlistat in the philippines Side effects of xenical orlistat – side effects from orlistat orlistat api manufacturers in china,

  2. I went over this site and I think you have a lot of good information, saved to fav 🙂

  3. Like says:

    Like!! Thank you for publishing this awesome article.

  1. 29/07/2018

    […] নিয়েছে। তেমনই একটি বিষয় হল  ডাইনিং টেবিলে খানা খাওয়া। আমরা যদি একটু লক্ষ্য করি তাহলে […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *