হাদিসের ভাবার্থ না বুঝে অনেক ক্ষেত্রেই অপ-ব্যাখ্যা করা

হাদিসের ভাবার্থ না বুঝেই অনেক ক্ষেতেই ভুল ব্যখ্যা

হাদিস না বুঝে অপব্যখ্যা করা উচিৎ নয়

কুর’আন হল পুর্ণাংগ জীবন বিধান, আর হাদিস হল তার বাস্তবভিত্তিক বর্ণনা। কুর’আন-হাদিসে কোন বিষয় অকাট্য-ভাবে বর্ণিত না থাকলে তখন দেখা দেয় ইজমা এবং কিয়াসের প্রয়োজনীয়তা। হাদিসে আছে, “কোন মহিলার জন্য তার স্বামীর ভাইকে আজরাইল সমতুল্য মনে করা উচিৎ”। এই একটি হাদিস নিয়েই আলোচনায় আসা যাক। একজন মহিলার যখন বিবাহ হয়, তখন তার জন্মগত সম্পর্কের সকল মাহরাম পুরুষ থেকে বাদ পড়ে যায় এবং তার বৈবাহিক সূত্রের মাহরাম পুরুষদের সন্নিকটে অবস্থান করে। স্বামী ছাড়া সেই পরিবারে একমাত্র মাহরাম পুরুষ থাকে শশুর (যদি জীবিত থাকে)। সেই ক্ষেত্রে তার স্বামী সব সময়ই স্ত্রীর নিকটেও থাকা সম্ভব না। তাহলে কি সেই মহিলার কোন কোন ক্ষেত্রে পুরুষের সাহায্যের দরকার পরে না?  সেই ক্ষেত্রে কোন পুরুষ তাকে সাহায্য করবে?  স্বামীর ভাইয়ের চেয়ে কি একজন আপন পুরুষও সেই এলাকায় পাওয়া সম্ভব?  স্বামীর ভাইয়ের চেয়ে অন্য পুরুষ কি সেই মহিলার জন্য বেশী নিরাপদ বা নিরাপত্তা দিবে। প্রশ্নের উত্তর আপনারা দেন।

প্রশ্ন থাকে যে, এখানে রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যান্য বৃহত্তম মর্যাদার ফেরেশতা বাদ দিয়ে আজরাইল (আঃ) এর কথা বললেন কেন? এর উত্তর হল আজরাইল (আঃ) এমন একজন ফেরেশতা যে, মু’মিন, মুশরিক, কাফির নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের সাথেই তার দেখা হবে। এতে যে প্রাণী যত ভয়ই করুক না কেন, তাঁকে এড়িয়ে চলার কোন পথ নেই। অথচ তাঁকে সবাই-ই ভয় করে এবং সে যাতে না আসে, এই কামনা সবাই-ই করে, কিন্তু জীবনের সময় ফুরিয়ে গেলে তার প্রয়োজনে যথা সময়ে সে হাজির হয়ে যায়। এমতাবস্থায় আজরাইল (আঃ) কে প্রত্যেকের কাছে ব্যক্তিগতভাবে আসতে হয়। অথচ ইসরাফিল (আঃ) এর এক শিঙ্গা ফুঁৎকারে তামাম জাহান ধ্বংস হয়ে যাবে এবং আরেক ফুঁৎকারে সকল মানুষ জীবিত হয়ে হাশররে ময়দানের দিকে দৌড়াতে থাকবে। তিনি শুধুমাত্র মহান আল্লহ রব্বুল আলামীন এর আদেশের অপেক্ষায় আছেন।

কেন হাদিসে আজরাইলের নাম নেয়া হল?

এখানে আমরা দেখতে পাই যে, উভয় ফেরেশতাই মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনের আদেশ পালন করে চলছে। কিন্তু ইসরাফিল (আঃ) এর কার্যক্রমের তুলনায় আজরাইল (আঃ) এর কার্যক্রম খুবই নগণ্য; কারণ সেখানে মাত্র একজনের জীবন সংহারের ঘটনাই নির্ভর করে। আজরাইল (আঃ) একজন পিতার জান কবজ করে তার পুত্রের জন্য নেতৃত্বের যায়গা খুলে দেন, যদিও তা ক্ষেত্রবিশেষ বেদনা দায়ক। আবার এক সময় সেই ব্যক্তির জান কবজের মাধ্যমে তার সন্তানের জন্য নেতৃত্বের যায়গা তৈরি করে দেন, আর এটাই হল প্রকৃতির বিধান।

কাজেই সুখের বেলায়ও যেমন আজরাইল (আঃ) এর ভূমিকা রয়েছে, একই ভাবে দুঃখের বেলায়ও আজরাইল (আঃ) এর ভূমিকা রয়েছে। সেখানে ইসরাফিল (আঃ) এর কোন ভূমিকা নেই; অথচ মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনের আদেশে তাঁর কার্যক্রম হবে মহা ভয়ানক। উপরোল্লিখিত হাদিসে স্বামীর ভাইকে আজরাইলের সাথে তুলনা করার কারণ হল যে, সে ব্যক্তি সব সময়ই তোমার সাথে বা তোমার দুনিয়াবি জীবন চক্রের সাথেই জড়িত থাকবে। একমাত্র ফেরেশতা আজরাইল (আঃ) যেমন প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে হাজির হয় এবং প্রত্যেকের জান কবজ করতে পারে, ঠিক তেমনি স্বামীর ভাই সব সময়ই তোমার আশে-পাশেই থাকবে, তাই তার দ্বারা আবার সব থেকে বড় ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে। কাজেই তার কাছে বিভিন্ন সময়ে তোমার প্রয়োজন দেখা দিলেও তাকে তুমি আজরাইলের মতই ভয় কর। আর তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত সুবিধা তার কাছে থেকে পাওয়ার আশা করা ঠিক না।

মনে করি কোন মহিলার শশুর আগেই মারা গেছে। হটাত তার স্বামীও মারা গেল। ঘরে তার প্রাপ্ত বয়স্কা একটা মেয়ে এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কা একটা ছেলে আছে। এই মুহূর্তে মেয়ের একটি বিয়ের প্রস্তাব এই লো। সে ক্ষেত্রে ইসলামের আইনে কে এই মেয়ের ওয়ালি বা প্রতিনিধি হবে?  সর্ব সম্মতিক্রমে উত্তর হল চাচা। তখন কি ইসলামের আলোকে মেয়ের মায়ের কোন ক্ষমতা আছে সেই চাচার অনুমতি না নিয়ে বা তাকে সেই মেয়ের ওয়ালির দায়িত্ব না দিয়ে মেয়েকে সেই পাত্রের সাথে বিয়ে দেয়ার?

শরিয়তি প্রচলনের কুফলের কারণেই চাচার গুরুত্ব কমে গেছে

যদিও প্রচলিত সমাজে মাতা-ই এখন বড় নেতা বা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই চাচার কাছে জিজ্ঞাসা করার তোয়াক্কা করে না, কিন্তু ইসলামে কি এটাকে অনুমোদন দেয়?  এমতাবস্থায় কি সেই মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে তার স্বামীর ভাইয়ের সাথে আলোচনা করতে হবে না?  মেনে নিলাম সে গায়রে মাহরাম, কিন্তু গায়রে মাহরাম হিসাবে যতটুকু পরদা করা ফরজ রয়েছে, ততটুকু পরদা করে কি তার সাথে দেখা করতে হবে না?  তার সাথে আলোচনা না করলে বা দেখা না করলে সেই মহিলার সমস্যা বা সুবিধা সম্বন্ধে স্বামীর ভাইকে জানাবে কিভাবে?  অথচ ইসলাম নিজের মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে স্বামীর ভাইকেই ওয়ালি হওয়ার অনুমতি দিয়েছে, যেখানে নিজের বাপ-ভাইয়ের কোন গুরুত্বই নেই। কাজেই সব ক্ষেত্রেই পজিটিভ চিন্তা থাকা দরকার।

এই দুনিয়ার স্বার্থের জন্য স্বামীর ভাই যেমন তার শত্রু হতে পারে, ঠিক তেমনি সেই মহিলা বা তার পরিবারের কোন ক্ষতি হলে রক্তের টানে হলেও সেই ভাইয়ের-ই সর্ব প্রথমে টান পরবে। তাই উপরোল্লিখিত হাদিসের আলোকে রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এই ভাবে বলেননি যে, “তুমি স্বামীর ভাইকে আজরাইলের মত মৃত্যু দূত মনে করে শুধুমাত্র তার খারাপ দিক দেখে তাকে খুব করে পর্দা করে চল, আর অন্যের সাথে চিচিং ফাঁক হয়ে যাও। বরং এই ভাবেই বুঝানো হয়েছে যে, যেমন তোমার অগ্রজের সাথে আজরাইল (আঃ) দেখা করাতে তোমার ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়, আবার সেই আজরাইল (আঃ) ই তোমার সাথে দেখা করার মাধ্যমে তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে। তাই স্বামীর ভাইয়ের কাছে প্রয়োজনীয় যত সুযোগই পাও না কেন, আবার সে সুযোগ ধ্বংস হওয়ার বেলায়ও কিন্তু সেই ব্যক্তিই তোমার জন্য ধ্বংসকারী হতে পারে।

ভাই শব্দটিকে অবিবেচক ভাবা অন্যায়।

মনে রাখা উচিৎ যে, মুসলমানদের মধ্যে সবথেকে কাছের সম্পর্ক হিসাবে বার বার যেখানে হাদিসে ‘ভাই’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর যদি তা হয় পিতার ঔরসজাত ভাই, তাহলে তার সাথে কি অন্য কারো তুলনা হতে পারে?  কাজেই পিতার ঔরসজাত ভাই এর স্ত্রীর মর্যাদা রক্ষা করার জন্য সেই ভাই যতটুকু যত্নবান হবে, নিয়মানুসারে অন্য কোন ব্যক্তিরই তা হওয়ার কথা না। তবে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম ছিল, আছে এবং থাকবে। আর যারা অ-মানুষ, তাদের নিজের ভাইয়ের স্ত্রী তো অনেক পরের কথা, নিজের ঔরসজাত কন্যাকে নিয়ে চিন্তা করারও সুযোগ নেই। অতএব রসুল সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কথাকে অপ-ব্যাখ্যা করে কোন সুযোগ গ্রহণ করা উচিৎ নয়। স্বামীর বাড়িতে সবথেকে নিকটের ব্যক্তি তথা স্বামীর প্রতিনিধি হিসাবে যেমন স্বামীর ভাইয়ের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নেয়া উচিৎ, তেমনি তার সাথে অপ্রয়োজনীয় সংসর্গও ত্যাগ করে আজরাইলের মত ভয় করাও উচিৎ।

আমাদের সমাজে কি এমন কোন হাফেজ, ক্কারী, মুফতি, মুহাদ্দিস আছেন, যিনি তাঁর আপন মামী বা আপন চাচীর সাথে দেখা করেন না। অথবা আপন চাচাত, মামাত, খালাত, ফুফাতো বোন বা শ্যালিকাকে দেখা দেয় না। এক্ষেত্রে কিন্তু মামী- চাচী হয়ে যায় তাদের মা’য়ের মতন, আর বোনগুলো হয়ে যায় ছোট থেকে পরিচিত বা শিশু বয়স থেকে নিজের সামনে বড় হওয়াতে নিজের বোনের মতই। তাই তখনকার যুক্তি অনুসারে সেখানে ফেতনা হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু কোর’আন-হাদিস কি উপরের কোন সম্পর্ককে মাহরাম বলেছে? এই সকল নাজুক ক্ষেত্রে কিন্তু তাদের মাসয়ালা একটা ওজর বের করে ফেলে। মূলত এসকল ক্ষেত্রে উনারা হয়ে যান প্রকৃতির কাছে জিম্মি।

হাদিসের আলোকে কতটুকু অঙ্গ ঢেকে রাখা দরকার?

প্রকৃতপক্ষে সৃষ্টি কর্তার  সামনে নামাজে দণ্ডায়মান হওয়ার সময় একজন মহিলার যতটুকু অঙ্গ ঢেকে রাখা ফরজ, ততটুকু অঙ্গ যে কোন গায়রে মাহরামের সামনে খোলা রাখা মোটেও হারাম না, তবে খোলা না রাখাটাই অধিক উত্তম। নাট-বোল্টকে বেশী টাইট দিলে যেমন থ্রেড কেটে যায়, তেমনি আমাদের দেশের আলেমদের কর্তৃক বেশী চাপ সৃষ্টি করায় মহিলারা এখন মনে করা শুরু দিয়েছে যে, “হাত-পা এবং মুখমণ্ডল না ঢাকলে যখন পর্দাই হবে না, কাজেই অত কষ্ট করার কি দরকার আছে, তাই এখন সালোয়ার- কামিজ পড়ার চেয়ে জিনসের প্যান্ট আর গেঞ্জি পড়াই ভাল”। অথচ পাশ্চাত্যের দেশ সমূহের সকল মুসলিম মহিলারা এখন আর শার্ট-গেঞ্জির আসে-পাশেও তারা নেই। তারা এখন নিয়মিত ধর্মীয় ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে যতটুকু পর্দা করা বাধ্যতামূলক, ঠিক সেই আদেশের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আর এই সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর আমাদের দেশের মহিলা সমাজ বর্তমানে কোন ধরনের পোশাকের দিকে যাচ্ছে, তা আপনার সবাই দেখতে পাচ্ছেন। এজন্য কি আমাদের দেশের আলে-মগন কিছুই দায়ী নন?

আরও একটি বিষয় অনেক সময়ই ওয়ায়েজিন-গন বক্তৃতা করার সময় নামাজের গুরুত্ব বুঝাতে যেয়ে বলে থাকেন যে, “কোন মহিলা সন্তান প্রসবের সময় সেই সন্তানের অংশবিশেষ বের হয়ে গেলেও সে পরিস্থিতিতেও সেই মহিলার নামাজ মাফ নেই, তাহলে সাধারণ মানুষদের কি কোন অবস্থায় নামাজ মাফ থাকতে পার”? বিষয়টা কি আসলে তাই, মোটেও না। বরং এই কথায় প্রমাণ হয় যে, ইসলাম ধর্ম মানুষের উপর জুলুম চাপায়।

আসল ব্যাপার হল, কোন মহিলা যদি নামাজীও হন এবং সেই মহিলা সন্তান প্রসবের সময় তার পূর্ব মুহূর্তে পানি বের আসার পর আর তার অজু থাকতে পারে না। কিন্তু অত্যন্ত  কঠিন সময় অতিবাহিত হওয়ার কারণে তার দ্বারা নামাজ পড়াও সম্ভব হয় না। কিন্তু সেই ক্ষেত্রে সন্তান প্রসব না হওয়াতে তাকে নেফাসের রোগীও বলা যায় না। সন্তান অর্ধেক বের হয়ে গেলেও তাকে নেফাসের রোগী বলা হবে না; যতক্ষণ সন্তান পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হবে। কিন্তু এমন মুহূর্তে যদি কারো নামাজের সময় চলে যায়, তাহলে সেই নামাজ তার জন্য মাফ হয়ে যাবে না। বরং যখন সে নেফাস থেকে সুস্থ হবে, তখন এই নামাজের কাজা আদায় করতে হবে। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে যে নামাজ বাদ পরবে সেগুলো নেফাস কালীন নামাজ হিসাবে মাফ থাকবে। তাই বলা হয় যে, এরূপ বিপদের জন্যও তারা নামাজ মাফ হবে না অর্থাৎ তাকে পরে তা আদায় করে নিতে হবে। কাজেই কোন বিষয় ভালভাবে না বুঝে শুধুমাত্র বই পড়ে বা শুনেই সে বিষয় অন্যের কাছে বর্ণনা করা যাবে না। এতে সমাজে শুধুমাত্র ফেতনাই ছড়াবে।

প্রকৃত তথ্য বা বিচার এখনও মিডিল ইস্টেই আছে

দেড় হাজার বৎসর পূর্বে আরবে বিধান ছিল যে, কোন ব্যক্তি পরিচয়-হীন অবস্থায় ঘোরা-ফিরা করতে দেখলে প্রথমেই সন্ধান করা হত যে, সেই ব্যক্তি কারো পালানো দাস কিনা। আজও সেই নিয়মই বলবত আছে। যার ফলাফল ভোগ করেছে আমাদের দেশের অনেক লোক। যারা এক মালিকের কাছে চাকরী নিয়ে সেখানে থেকে পালিয়ে ‘কোথাও চাকুরী করে না’ মর্মে যখন অন্য মালিকের কাছে চাকুরী নেয়, সেই ক্ষেত্রে যে কোন দিন ধরা পরার পর দ্বিতীয় মালিকের প্রথম কাজ হয় সেই শ্রমিককে আগে প্লেনে তুলে আরবের সীমানা ত্যাগ করিয়ে তার পর অন্য আলাপ।

অপরপক্ষে আমাদের দেশে এরকম কোন ছেলেকে পেলে তাকে কম বেতনের একটি চাকুরী দিয়ে নিজের সুবিধা ভোগ করে। কাজেই একটা বিষয় বুঝতে হবে যে, বিষাক্ত প্রাণী হলেই সবাই বিষ একই ভাবে প্রয়োগ করে না। সাপ মুখ দিয়ে বিষ ছাড়ে, বল্লা হুল দিয়ে বিষ ছারে এবং মাঞ্জ্যাল (বিষাক্ত পিপড়া) মুখে কামড় দিয়ে তার পর সেখানে হুল বসিয়ে বিষ ছাড়ে। কাজেই হাদিসে কোন কিছু লেখা দেখলেই সেই বিষয়ে বেশী লাফা লাফি করা যাবে না; তার মুল ভাবার্থ এবং অবস্থা সম্বন্ধে প্রথমে বুঝার চেষ্টা করতে হবে। আর এই বুঝার ব্যাপ্তি কেয়ামত পর্যন্ত চলতে থাকবে। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islam-qa.com/en/ref/170317/ruling%20of%20wali

http://www.islam-qa.com/en/ref/97117/who%20will%20wali

 

You may also like...

8 Responses

  1. Like says:

    Like!! Really appreciate you sharing this blog post.Really thank you! Keep writing.

  2. wamudonik says:

    amsa fast orlistat reviews, orlistat 120 mg availability Fingras orlistat 60 mg – orlistat lesofat side effects what foods to avoid on orlistat,

  3. I went over this site and I think you have a lot of good information, saved to fav 🙂

  4. Like says:

    Like!! Great article post.Really thank you! Really Cool.

  1. 30/07/2018

    […] সাথে উপরের কোন সর্তের মিল আছে কি?  যারা আসলে টাই সম্বন্ধে কথা বলেন, টাই কি এবং কেন ব্যবহার করা হয়, তা […]

  2. 14/09/2018

    cialis 20mg prix en pharmacie http://vioglichfu.7m.pl/

    Thanks! A lot of tips.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *