মুখে ভাত অনুষ্ঠান পালন করা

মুখে ভাত অনুষ্ঠান নিছক একটি হিন্দু সংস্কৃতি। মুসলমান মানুষের ঘরে সন্তান জন্ম গ্রহণ করার পরেই হাদিসের তথ্যানুসারে প্রথম কাজটি হল ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে ডান কানে আজান এবং বাম কানে ইকামাত শুনানো। আর তা হতে হবে আস্তে আওয়াজে, যাতে করে সন্তানের কানে শুধু আওয়াজ যায়, য়ের চেয়ে বেশী কিছু নয়। অতঃপর একটু খেজুর মুখে নিয়ে ভাল করে চিবিয়ে তার রস শিশুর মুখে দেয়া। সৃষ্টির শুরু থেকেই যে বিষয়টি সকল প্রাণী নির্বিশেষে প্রতিটি মা জাতের কাছে বিদ্যমান, তাহলো নিজে যা খায় তার সন্তানদেরকেও একটি নির্দিষ্ট সময়ে তা খেতে শেখায়। সে হিসাবে প্রতিটি মা অন্যান্য মানব সন্তানের মাতাই ৪/৫ মাস বয়স থেকে তার সন্তানকে নিজের জন্য গ্রহণযোগ্য খাদ্য অল্প অল্প করে খেতে শেখায়। এই ব্যাপারে ইসলামেয়ের চেয়ে বেশী কোন সংস্কৃতি নেই। য়ের চেয়ে অতিরিক্ত যা কিছু করা হয়, তার সবটুকুই অনৈসলামিক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ঠাকুর মার ঝুলি গল্পে মুখে ভাত অনুষ্ঠানের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। মোট কথা হল কবির ভাষানুসারে কাক যদি ময়ূরের নাচ নাচতে যায়, তাহলে যেমন নিজের নাচ ভুলে যায়, ঠিক তেমনি মুসলমান যখন নিজের সংস্কৃতিকে বাদ দিয়ে কাফের-মুশরিকদের সংস্কৃতি পালন করতে যাবে, তখন তার ধর্ম-কর্ম থেকে শুরু করে সব কিছু গোল্লায় যাবে। সেক্ষেত্রে ইমান রাখা মোটেও সম্ভব না। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2010/8/Islamic-naming-ceremony.htm

http://en.allexperts.com/q/Islam-947/2010/8/sharayi-importance-barsi.htm

You may also like...