সুন্নাতে খাতনার পরে অনুষ্ঠান পালন করা

প্রতিজন মুসলমানের জন্য একটা নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যেই খতনা করা সুন্নত। তবে যারা অমুসলিম থেকে নতুন মুসলমান হয়, তাদের জন্য ভিন্ন কথা। এটা শুধুমাত্র নবী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের  সুন্নত নয়, বরং এটা ইবরাহীম (আঃ)য়ের সুন্নত। তিনি সূত্রধরের অস্ত্র দিয়ে নিজের খতনা নিজেই করেছিলেন। বর্তমান সময়ের মুসলমান-গনের অনেকেই এটাকে ধর্মীয় একটি অনুষ্ঠান মনে করে বিশাল ভোজনানুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। দাওয়াত দেওয়ার পূর্বেই আবার চিন্তা করা শুরু করে যে, যাদেরকে দাওয়াত দেওয়া হবে, তাদের পিছনে খরচ পরবে কত এবং সে অনুসারে দানের টাকার পরিমাণ হবে কত। যার কারণে সেখানে কোন গরীব লোকদেরকে দাওয়াত দেওয়া হয় না। এরূপ ধর্ম বহির্ভূত পদ্ধতিতে দান গ্রহণের পরিকল্পনা করাও নাজায়েজ, দান গ্রহণ করা তো অনেক পরের কথা।

মুলতঃ তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য কাজ করে লোক দেখানো এবং লোভের তাড়নার দিকে। এটা নিতান্তই ইসলাম ধর্ম বহির্ভূত অনুষ্ঠান কাজেই যে বিষয়গুলো পালন করা আমাদের জন্য ধর্মীয় দায়িত্ব, সে দিকে আমাদের তেমন কোন ঝোঁক না থাকলেও যে গুলোর কোন ডকুমেন্ট ইসলামে নেই অথবা সাহাবী (রা:) দের সন্তান গন পালন করে না, সেদিকে আমাদের ঝোঁক ঠিকই আছে। কোন বিড়ালকে যদি জন্মের পর থেকেই খাঁচায় পালন করা হয় এবং মধ্য বয়সে বিভিন্ন ছোট প্রাণীদের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে সে সকল প্রাণী বাদ দিয়ে প্রথমে ইঁদুরকেই ধরবে। আর এটাই হল তার জাতিগত স্বভাব। অতএব একজন মুসলমান হিসাবে ইসলাম ধর্মের বিষয়গুলোকেই সবাইকে পালন করা উচিৎ। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamqa.com/en/ref/10225/bid’ah

http://www.islamqa.com/en/ref/117651/circumcision%20fod

You may also like...