ফজরের সুন্নতের গুরুত্ব কম দেয়া

ফজরের সুন্নতের কম গুরত্ব দেয়া

ফজরের নামাজের সুন্নতের গরুত্ব সর্বাধিক।

ফজরের সুন্নতের গুরত্ব সম্বন্ধে সহীহ হাদিসে বর্ণিত আছে যে, “যত প্রকার নফল নামাজ আছে, তার মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ নামাজ হল ফজরের পূর্বের দুই রাকায়াত সুন্নত নামাজ”। অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে যে, “এই পৃথিবী এবংয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তার থেকে উত্তম হল ফজরের দুই রাকায়াত (সুন্নত) নামাজ”। হযরত কায়েস ইবনে আমর (রা:) বলেন, “যখন (নামাজের) ইকামাত দেয়া হচ্ছিল, তখন মহানবী সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাহিরে আসলেন এবং আমিও তাঁর সাথে নামাজ আদায় করলাম। নামাজ শেষে তিনি আমাকে (আবার) নামাজরত অবস্থায় দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, “হে কায়েস, সান্ত হও। দুই নামাজ একসাথে”?  আমি বললাম, “আমি ফজরের পূর্বের দুই রাকায়াত (সুন্নত) পড়িনি”। তিনি বললেন, “না! তাই”। অতঃপর তিনি নীরব ছিলেন”। এর অর্থ হল অধিক ফজিলতের কারণে বাদ পরা সুন্নত আদায় করা উচিৎ।

কিছু সময়ে নামাজ পড়া নিষেধ আছে।

প্রশ্ন হল হাদিসে আছে যে, “ফজরের পরে কোন নামাজ নেই, যতক্ষণ পর্যন্ত সূর্য পূর্ণ রূপে উদিত না হয়”। অথচ কায়েস (রা:) নামাজ আদায় করলেন। আসলে ব্যাপারটি হল এমন যে একমাত্র ফজরের সুন্নতই সূর্য উদয়ের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আদায় করা যাবে এবং করা উচিৎ। অনেকে পরে এসে জামায়াতে হাজির হওয়াতে সুন্নত পড়তে পারে না এবং পরবর্তীতে আর সে সুন্নত আদায় করে না। কোন কোন আলেম বলে থাকেন যে, “বাদ পরা সুন্নত আদায় করা উত্তম; তবে না পড়লেও দোষের কিছু নেই”। আবার কেউ বলে থাকেন যে, “পড়া যাবে, তবে পূর্ণ রূপে সূর্য উদয়ের পরে তথা এই শরাকের নামাজের সময়ে”।

আসলে আসলে উল্লিখিত প্রায় সকল সিদ্ধান্ত গুলোই ভুল। কারণ: স্বয়ং মহানবী সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু নীরব থেকেছেন, অর্থাৎ কায়েস (রা:) কে নিষেধ করেননি, সুতরাং এর অর্থ হল পূর্বের বাদ পরা গুরুত্বপূর্ণ এই নামজটি ফজরের নামাজের পরে সূর্য উদয়ের পূর্বেই আদায় করা উচিৎ। আর যে ব্যক্তি এমন নিশ্চিত যে সেইদিনে তার কোনপ্রকার ব্যস্ত হবার সম্ভাবনা নেই তাহলে সে পড়ে পড়াটাই উত্তম। কারণ এই মধ্যবর্তি সময়ে সে ইবাদতেই থাকে। যদিও উত্তম বিষয়টি মহান আল্লহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন, তারপরও এ বিষয়ে আরও অধিক জানার জন্য ইন্টারনেট মাধ্যমে নীচের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন:

http://www.islamqa.com/en/ref/65746

 

You may also like...